• ১ বৈশাখ ১৪২৮, বৃহস্পতিবার
  • 15 April 2021, Thursday
অথ নক্ষত্র কথা ছবি: ইন্টারনেট

অথ নক্ষত্র কথা

সুপর্ণা চ্যাটার্জী ঘোষাল

Updated On: 02 Apr 2021 11:08 am

পর্ব: ৭


সপ্তর্ষিমণ্ডল

প্রথম ভাগ

 

সপ্তর্ষিমণ্ডলকে চেনেন না এমন মানুষ সম্ভবত খুব কমই আছে। সেই ছোটবেলা থেকে, আমাদের আকাশে আর কিছু চেনানো হোক বা না হোক, সপ্তর্ষিমণ্ডলকে চেনানো হত। অথবা, শিশুমনের অগাধ কৌতূহল নিয়ে যখনই আমরা বসন্ত রাতে আকাশের দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছি, সেই চিরকালীন প্রশ্নচিহ্ন আমাদের চোখের সামনে নিজের অপার্থিব রূপ নিয়ে হাজির হয়েছে।

জানুয়ারি মাসের শেষ রাত থেকে উত্তর আকাশে সাতটি তারা নিয়ে গঠিত একটা জিজ্ঞাসা চিহ্নের মতো যে তারামণ্ডল উঠতে দেখা যায় সেটাই হল সপ্তর্ষিমণ্ডল। মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে উত্তর আকাশে রাত আটটা নাগাদ এটাকে পুরোপুরি চোখে পড়ে। উর্সা মেজর নামের একটি তারামণ্ডলের অংশ বিশেষ হলেও এই জিজ্ঞাসা চিহ্নের মতো বিগ ডিপারই আমাদের বেশি পরিচিত। বিগ ডিপারকে একটা বড় চামচ কল্পনা করে নিয়ে, এর হাতল থেকে শুরু করলে এই সাতটি তারার নাম যথাক্রমে মরীচি, বশিষ্ঠ, অঙ্গিরা, অত্রি, পুলস্ত্য, পুলহ, ক্রতু। বশিষ্ঠের পাশে একটি অনুজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম অরুন্ধতী। খুব ভালো দৃষ্টিশক্তি না থাকলে অরুন্ধতীকে দেখা যায় না। সেই কারণেই হয়তো গ্রামবাংলায় বিয়ের পর নববধূকে অরুন্ধতী তারা দেখানোর রীতি রয়েছে। যাতে নববধূর দৃষ্টিশক্তি কেমন তা জানতে পারা যায়। আরব দেশে আবার সৈনিকদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করার জন্য অরুন্ধতী ব্যবহার করা হত। আমাদের বাড়ির কাছে পাঁচমুড়ো হ্যালোজেন ল্যাম্পপোস্ট লাগানোর পর, বিগত চার বছর ধরে আমি নিজে আর অরুন্ধতীকে খুঁজে পাই না।   


এই সপ্তর্ষিমণ্ডল রাতের আকাশের অন্যতম দিকনির্দেশকও বটে। কারণ, মরীচি থেকে সোজাসুজি পূর্বদিকে চোখ নিয়ে গেলে আমরা উজ্জ্বল কমলা রঙের স্বাতী নক্ষত্রকে দেখতে পাব। আর ক্রতু ও পুলহকে ধরে সোজা একটি সরলরেখা টানলে আমরা চিহ্নিত করতে পারব ধ্রুবতারাকে।

এবার সপ্তর্ষিমণ্ডলকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার রচিত গল্পগুলো দেখা যাক।

***

মনু, সপ্তর্ষিমণ্ডল ও ধ্রুবতারা

প্রাচীনকালে স্বার্থপর মানুষের উপর বিরক্ত হয়ে একবার সমস্ত পৃথিবী প্লাবিত করার কথা ভাবলেন ঈশ্বর। কিন্তু নোয়াহ নামে একজন মানুষকে তিনি ভালোবাসতেন, কারণ সে ঈশ্বরের আরাধনা করত। একদিন ঈশ্বর নোয়াহকে ডেকে বলেন, এই প্লাবনের সময় নোয়াহ যেন একটি বিশাল নৌকা তৈরি করে এবং তার মধ্যে তার স্ত্রী, সন্তান এবং পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীর একটি করে পুরুষ ও স্ত্রী জাতিকে আশ্রয় দেয়। তারাই আবার নতুন এক পৃথিবীর বাসিন্দা হয়ে উঠবে। এই বহুলপ্রচলিত গল্পের নাম নোয়াহ”জ আর্ক।

প্রাচীন ভারতবর্ষের বৈবস্বত মনুকে নিয়েও অনুরূপ একটা গল্প প্রচলিত আছেএকদিন মনু নদীতে স্নান করে দেবতার স্তব করার সময় একটা খুব ছোট্ট মাছ তাঁকে বলে, “আমি অতি ক্ষুদ্র প্রাণ, আমায় রক্ষা করুন।” মনু তখন মাছটিকে হাতের মধ্যে তুলে নিয়ে আশ্রমে গিয়ে একটি গামলা জাতীয় আধারের মধ্যে রেখে দিলেন। চোখের নিমেষে সেই শ্বেতবর্ণ মাছটি গামলার আকৃতি ধারণ করে বলল, “এই আধারেও আমার সংকুলান হচ্ছে না।” মনু তখন আবার মাছটিকে একটি দিঘিতে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দিলেন। দেখতে দেখতে সেই মাছ দিঘির সমান হয়ে উঠল। মনু তখন পরম বিস্ময়ে মাছটিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রথমে নদীতে এবং নদীতেও তার আকার বৃদ্ধি পাওয়ায় সমুদ্রে ছাড়তেই মাছটি আরো বিশাল রূপ ধারণ করে মনুকে বললেন, অচিরেই এই সমগ্র পৃথিবী মহাপ্লাবনে ভেসে যাবে। তাই মনু যেন এক বৃহদাকার নৌকা বানিয়ে তার মধ্যে সমস্ত গাছের বীজ, পশু, পাখি, কীট পতঙ্গ, প্রত্যেক প্রাণীর একটি করে স্ত্রী ও পুরুষ এবং সপ্তর্ষিদের নিয়ে নিজেও যেন সেখানে আশ্রয় গ্রহণ করে তার জন্য অপেক্ষা করেন। নির্দিষ্ট দিনে এই বিশাল শিংযুক্ত মাছটি এসে উপস্থিত হলে মনু তার শৃঙ্গের মধ্যে নৌকার শনের দড়িটি বেঁধে দেন। সেই মহাতরঙ্গময় সমুদ্রের মধ্যে দিয়ে মাছটি মনুর নৌকাকে উত্তরে হিমালয়ের প্রধান শৃঙ্গের কাছে বহন করে নিয়ে আসে। মহাভারতের বনপর্ব, শতপথ ব্রাহ্মণ, মৎস্যপুরাণ, তৈত্তিরীয় সংহিতায় এই একই গল্পের কিছুটা প্রকারভেদ লক্ষ্য করা গেলেও আসল গল্প মোটামুটি একইরকম।

মহাকাশের পটভূমিতেএবার এই গল্পের ব্যখ্যা করার চেষ্টা করা যাকনৌকায় সপ্তর্ষিকে আরোহণ করানোর কথা বলা হয়েছে। এই সপ্তর্ষি হল আমাদের অতি পরিচিত সপ্তর্ষিমণ্ডলউত্তর আকশে একটি জিজ্ঞাসা চিহ্নের মতো সাজানো সপ্তর্ষিমণ্ডলের নামকরণ হয়েছে ক্রতু, পুলহ, পুলস্ত্য, অত্রি, অঙ্গিরা, বশিষ্ঠ, মরিচী প্রমুখ সাতজন ঋষির নামানুসারে এবং ঋকবেদে মনুও একটি তারা। সেটি হল অজগরমণ্ডল বা ড্রাকো (draco)-র আলফা তারাটি  প্রাচীনকালে এই তারাটিই ছিল ধ্রুবতারা এখন অবাক লাগতে পারে যে ধ্রুবতারা তো নিশ্চল, তার অবস্থান তাহলে কীভাবে পরিবর্তন হয় বিষয়টা সহজ করে বোঝানোর চেষ্টা করছি এই পৃথিবীতে কোনো কিছুই নিশ্চল বা ধ্রুব নয়  কারণ পৃথিবীর মেরুবিন্দু কিন্তু স্থির নয়। ২৬০০০ বছরে সে একটি ছোট বৃত্তে ভ্রমণ সম্পন্ন করে। এই ভ্রমণকালে যদি কোনো তারা এই পথে অবস্থান করে তখন তাকে ২৬০০০ বছর ধরে স্থিরই দেখাবে। কিন্তু ভ্রমণ সম্পন্ন হয়ে গেলেই সেই নির্দিষ্ট তারাটি তার নিজের জায়গা থেকে সরে যাবে, তার জায়গায় অন্য কোনো তারা এসে সেই ধ্রুবত্ব লাভ করবে। এবার মানুষের জীবন বা মানব সভ্যতা তো আর একটানা এত দীর্ঘ হতে পারে না। তাই আমরা একটা তারাকেই আজীবন ধ্রুবতারা বলে জেনে থাকি। প্রাচীন মিশরীয়রা এই তারাকে বলত থুবন। এটি সপ্তর্ষিমণ্ডল ও শিশুমার বা লঘু সপ্তর্ষিমণ্ডলের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত একটি অনুজ্জ্বল তারা। পরে এই তারাটি নিজের অবস্থান থেকে সরে যায় এবং লঘু সপ্তর্ষিমণ্ডলের আলফা উর্সে মাইনরিস বা পোলারিস তারাটি ধ্রুবত্ব লাভ করে বর্তমানে ধ্রুবতারা নামে চিহ্নিত হয়।

এবার সেই মাছটি কোথায় যার শৃঙ্গে মনু রজ্জুবন্ধন করেছিলেন। আগে রজ্জুর সঙ্গে পরিচিত হয়ে নিই। সর্পে রজ্জুভ্রম কথাটার সঙ্গে আমাদের ভালোই পরিচয় আছে, তাই সেই ড্রাকো বা অজগরমণ্ডলকেই রজ্জু হিসাবে ধরে নিতে কি খুব বেশি কষ্ট করতে হয়? মৎস্যপুরাণে আছে মনু একটি সাপকে নৌকা বাঁধার দড়ি বানিয়েছিলেন। আর এই মৎস্য হল লঘু সপ্তর্ষিমণ্ডল, বা শিশুমার তারামণ্ডলটি। কারণ ঋগ্বেদে এই মাছের নাম বলা হয়েছে শিংশুমার এবং নৌকাটি হল সপ্তর্ষিমণ্ডল। পুরাণে সপ্তর্ষিমণ্ডলের তারকারগুলিকে কখনো শকট, আবার কখনো পালকি বা নৌকা প্রভৃতি বিভিন্ন রূপে কল্পনা করা হয়েছে। সপ্তর্ষিমণ্ডল ও মনু সহ  এই নৌকাকে মাছটি উত্তরের সর্বোচ্চ স্থানে টেনে নিয়ে গিয়েছিল। উত্তরের মেরুই হল পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্থানসপ্তর্ষিমণ্ডল ও মনু তারকাও উত্তর আকশের এই মেরুর কাছাকাছিই অবস্থান করে।

পুরাণে সপ্তর্ষিমণ্ডলকে ভাল্লুকরূপেও কল্পনা করা হয়ে থাকে। প্রাচীনকালে এর নাম ছিল ঋক্ষ। ঋক্ষের অর্থ তারাও হয় আবার ভাল্লুকও হয়। এই ঋক্ষ শব্দ থেকেই নাকি পরবর্তী কালে ঋষি শব্দটি এসেছে। আরবিতে এর নাম “দোব্বে আকবর”, যার অর্থ বৃহৎ ভাল্লুক। আবার “বানাত নাশ” বা শবযাত্রা নামেও অভিহিত করা হয়। পশ্চিমের চারটি নক্ষত্র দিয়ে শবাধার বা কফিন আর পূর্বের তিনটি তারাকে শবের সঙ্গে চলা লোক হিসাবে কল্পনা করা হয়েছে। 

***

গ্রিক পুরাণে রয়েছে দেবরাজ জিউস একবার স্বর্গের অপ্সরা ক্যালিস্তোকে দেখে মোহিত হয়ে পড়েন। ক্যালিস্তোকে না দেখতে পেলে তখন তাঁর আর রাজপাট, কর্তব্য কিছুই মনে থাকে না। জিউসের স্ত্রী দেবী হেরা একদিন জানতে পারলেন এই কথা। তিনি ক্যালিস্তোকে চিনতেন না, কিন্তু যেই শুনলেন ক্যালিস্তো অসামান্য রূপবতী, অমনি তাঁর সমস্ত ক্ষোভ গিয়ে পড়ল ক্যালিস্তোর উপরে। এই ক্যালিস্তোই নিশ্চয়ই নিজের রূপের ফাঁদে জিউসকে ফেলেছে। হেরা তখন ক্যালিস্তোকে শাস্তি দেবার জন্য সময়ের অপেক্ষা করতে লাগলেন। একদিন ক্যালিস্তো যখন স্বর্গের উদ্যানে ঘুরে বেড়াচ্ছে, তখন হেরা নিযের শক্তিবলে অপরূপা ক্যালিস্তোকে বানিয়ে দিলেন এক ভয়ঙ্কর ভাল্লুক। ক্যালিস্তো মনের দুঃখে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়। কেউ নেই যে তাকে উদ্ধার করবে, নিজের দুঃখ প্রকাশ করার ভাষাও নেই ভাল্লুকরূপী ক্যালিস্তোর কাছে। এভাবেই দিন চলে যায় একের পর এক। সে সবচেয়ে কষ্ট পায় তার ছেলের কথা চিন্তা করে। তার ছেলে আরকাস নিপুণ শিকারি। বনে-জঙ্গলে ঘুরে ঘুরে শিকার করতেই তার আনন্দ। এদিকে ঘরেও ফেরেনি অনেকদিন হল, তাই মায়ের দুর্দশার কথাও সে জানে না। অনেকদিন পর সে ঘরে ফেরার পথ ধরল। পথের মাঝে পড়ে এক গভীর জঙ্গল। সেই গভীর জঙ্গলে আরকাস দেখতে পায় এক ক্লান্ত ভাল্লুক গাছপালার আড়াল দিয়ে চলেছে। আরকাস আর দেরি করে না। দ্রুত গতিতে তির মেরে সে অজান্তেই হত্যা করে নিজের মাকে। যে জিউস এতদিন পর্যন্ত ক্যালিস্তোর সংবাদ নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি, সেই জিউস এবার মাতৃহন্তা আরকাসকে শাস্তিস্বরূপ ভাল্লুক বানিয়ে দিলেন। কিন্তু তাদের স্থান দিলেন আকাশে। উত্তর আকাশে ক্যালিস্তো,  দ্য গ্রেট বেয়ার বা সপ্তর্ষিমণ্ডল আর আরকাস আজও লিটল বেয়ার বা লঘু সপ্তর্ষিমণ্ডলরূপে অবস্থান করে।    


ইরোকোয়িস লোককথা অনুযায়ী শীতের শেষে যখন চারিদিকের বরফ গলে সবুজের রেখা আবার দেখা দেয়; রবিন, চিকাডি আর কাউবার্ড নামে তিনজন শিকারি হাতে তির-ধনুক নিয়ে বেরিয়ে পড়ে খাদ্যের সন্ধানে। এতদিন প্রবল ঠান্ডায় তারা শিকারে যেতে পারেনি, তাই এখন তাদের প্রয়োজন বড় কোনো শিকার। তারা উত্তর দিকে রওনা দেয়। সেখানে পেলেও পেতে পারে বড় কোনো পশুর দেখাহাঁটতে হাঁটতে তারা উত্তরের মেরুর কাছে এসে দেখে বড় এক ভাল্লুক চরে বেড়াচ্ছে। এই ভাল্লুক নিজের গুহায় শীতঘুমের শেষে আবার বেরিয়ে এসেছে তৃণভূমিতে। তারা সমস্ত বসন্ত আর গ্রীষ্ম জুড়ে ভাল্লুককে তাড়া করে অবশেষে শরতের শেষ দিকে পশ্চিম দিগন্তের কাছে গিয়ে প্রথম শিকারি রবিন ধনুকে তির যোজনা করে শিকার করে সেই ভাল্লুককে। ভাল্লুকের রক্ত চুঁইয়ে পড়ে পৃথিবীতে। তার রক্তের ছোঁয়ায় রাঙা হয়ে ওঠে পৃথিবীর সব জঙ্গলের পাতা কিছু রক্ত ছিটকে আসে রবিনের বুকে। সেই থেকে শরতে যেমন পাতা খসার আগে গাছের পাতা লাল হয়ে যায়, তেমনই রবিন পাখির বুকও লাল হয়ে গেছে। দ্বিতীয় শিকারীর হাতে ধরা ছিল এক পাত্র, সে রান্নার বন্দোবস্ত শুরু করে দিল। কিন্তু আগুন জ্বালাবে কী দিয়ে! তৃতীয় শিকারি সেইজন্যেই সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল জ্বালানির কাঠ। পাত্রের তলায় সে জ্বেলে দিল আগুন। ক্ষুধা নিবারণ হল তাদের গোষ্ঠীর মানুষদের। আর সেই ভাল্লুকের কঙ্কাল উত্তর আকাশে রয়ে গেল তারা হয়ে।

সন্দেহাতীতভাবে উত্তর মেরুর কাছে বিচরণ করা এই ভাল্লুকই হল উর্সা মেজর বা দ্য গ্রেট বেয়ার। আর এই শিকারিদের মধ্যে প্রথম জন হল  সপ্তর্ষিমণ্ডলের অঙ্গিরা বা alioth যার হাতে ছিল তির-ধনুক, দ্বিতীয় শিকারি চিকাডি হল বশিষ্ঠ বা mizar যে বহন করে নিয়ে চলেছিল একটি বড়সড় রান্না করার পাত্র। সেই পাত্র হল আমাদের পরিচিত অরুন্ধতী নক্ষত্র বা alcorআর জ্বালানির কাঠ বয়ে নিয়ে চলা তৃতীয় শিকারি হল alkaid বা মরীচি। আর ভাল্লুকের গুহা হল সপ্তর্ষিমণ্ডলের কাছেই অবস্থিত গুহামুখ আকৃতির করোনা বোরিয়ালিস। 

 

Recent Comments:

Aditya Thakur 2021-04-02

নিত্যনতুন কাহিনী জানতে পারা যাচ্ছে। চমৎকার এগিয়ে চলেছি এই তারার পথ ধরে।

Leave a Comment: